জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
৯ নভেম্বর ২০২৫, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে যেন রীতিমতো ঝড় বইছে। মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটার জাহানারা আলমের বিস্ফোরক অভিযোগ। যৌন হয়রানি, গোষ্ঠীবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে কেঁপে উঠেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন।
জাহানারার অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জাতীয় নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং প্রয়াত সাবেক ইনচার্জ তৌহিদ মাহমুদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। আরও বড় বিষয় হলো—তিনি দাবি করেছেন, বিষয়টি বিসিবিকে জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর আরও কয়েকজন নারী ক্রিকেটার মুখ খুলেছেন, কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছেন দলীয় বিভাজন ও প্রভাব বিস্তারের দিকেও। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবশেষে নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, নারী দলে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির কনভেনর হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা এবং বাংলাদেশ নারী ক্রীড়া সমিতির সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
কমিটি নারী ক্রিকেটে সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণ খতিয়ে দেখবে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে বিসিবিকে সুপারিশ দেবে।
যদিও কেউ কেউ জাহানারার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন, তবু বোর্ডের এই পদক্ষেপে বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি এখন আর উপেক্ষা করার মতো নয়। নজর এখন তদন্ত কমিটির দিকে—তারা কীভাবে এই সংবেদনশীল ইস্যুতে ন্যায়সংগত সমাধান আনতে পারে এবং নারী ক্রিকেটে হারানো বিশ্বাস ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে পারে।