বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

৫ জেলায় পরীক্ষামূলক ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী


সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১০ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান। এই কার্ডটি ইলেকট্রনিক রিফারেল ও পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

১০ জুন ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ 

৫ জেলায় পরীক্ষামূলক ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ৫টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো- খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী।

বুধবার (১০ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ক একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত ৫টি জেলার জনসাধারণকে দ্রুততম সময়ে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’ এই কার্ডের প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে তিনি আরও জানান, এটি সরাসরি ‘ইলেক্ট্রনিক রিফারেল সিস্টেম’ এবং ‘ইলেক্ট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও আধুনিক করবে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচির অন্যান্য অগ্রাধিকার ও অর্জনের চিত্রও সংসদের সামনে তুলে ধরেন।

ফ্যামিলি কার্ড: নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

কৃষক কার্ড ও ঋণ মওকুফ: দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার।

ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্মানী: দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

উল্লেখ্য, এদিন বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। দিনের কার্যসূচির শুরুতেই ৩০ মিনিটের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন ছিল। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রী ৩টি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ৫টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো— খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী।

বুধবার (১০ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ক একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত ৫টি জেলার জনসাধারণকে দ্রুততম সময়ে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’ এই কার্ডের প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে তিনি আরও জানান, এটি সরাসরি ‘ইলেক্ট্রনিক রিফারেল সিস্টেম’ এবং ‘ইলেক্ট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও আধুনিক করবে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচির অন্যান্য অগ্রাধিকার ও অর্জনের চিত্রও সংসদের সামনে তুলে ধরেন।

সরকারের অন্যান্য কর্মসূচি ও অগ্রগতি:

  • ফ্যামিলি কার্ড: নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

  • কৃষক কার্ড ও ঋণ মওকুফ: দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার।

  • ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্মানী: দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

উল্লেখ্য, এদিন বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। দিনের কার্যসূচির শুরুতেই ৩০ মিনিটের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন ছিল। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রী ৩টি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।