সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ–পাকিস্তান বাণিজ্যে নতুন অধ্যায়, সরাসরি শিপিংয়ে সময় কমল অর্ধেক


করাচি–চট্টগ্রাম সরাসরি শিপিংয়ে সময় ২৩ দিন থেকে কমে ১০ দিন।পাকিস্তানি পণ্যের শতভাগ পরিদর্শন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ।সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই দেশ।

৮ নভেম্বর ২০২৫, ৩:১৮ অপরাহ্ণ 

বাংলাদেশ–পাকিস্তান বাণিজ্যে নতুন অধ্যায়, সরাসরি শিপিংয়ে সময় কমল অর্ধেক
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক অগ্রগতি দেখছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার।

শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি জানান, করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি শিপিং সেবা চালু হওয়ার ফলে পণ্য পরিবহনে সময় এখন ২৩ দিনের পরিবর্তে মাত্র ১০ দিন লাগছে। এতে পরিবহন ব্যয় কমেছে ও লজিস্টিক ব্যবস্থার দক্ষতা বেড়েছে।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পাকিস্তানি পণ্যের জন্য বাংলাদেশের বন্দরগুলোতে ১০০ শতাংশ পরিদর্শন বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়াকে ‘যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন ইসহাক দার। তার মতে, এটি দুই দেশের মধ্যে আস্থা বাড়াবে এবং পণ্য পরিবহনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করবে।

তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন চাল রপ্তানি করেছে, যা ২ লাখ টনের প্রতিশ্রুত চালানের অংশ। আগামী মাসগুলোতে এই রপ্তানি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও ডেনিম এক্সপোতে পাকিস্তানের দুই শতাধিক কোম্পানির অংশগ্রহণ এই খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

এ ছাড়া সামুদ্রিক যোগাযোগের পাশাপাশি সরাসরি আকাশপথ চালুর প্রস্তুতি চলছে। পাকিস্তানের দুটি বেসরকারি বিমানসংস্থা ইতোমধ্যে ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে। ইসহাক দারের আশা, এই ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসা ও পর্যটন সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে।