জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
৪ আগস্ট ২০২৫, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রশাসন ভবন চত্বরে শেষ হয়। এরপর সেখানে আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নেতৃত্বে তারা অবস্থান কর্মসূচি করে। এতে শাখা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র আন্দোলন, জমিয়তে তালাবাসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অংশ নেয়। পরে উপাচার্য জড়িতদের বের করে শাস্তির আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সাজিদকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার অনেকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো মামলা করেনি প্রশাসন। এখনো সাজিদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি। তারা টালবাহানা করছেন। আমরা চাই অবিলম্বে পিবিআইয়ের মাধ্যমে তদন্ত হোক। আমরা খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। এই ক্যাম্পাসে আর যেন কোনো সাজিদ প্রাণ না হারায় তা প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, আমরা আর কোনো টালবাহানা দেখতে চাচ্ছি না, ক্যাম্পাসে আর কোনো লাশ দেখতে চাচ্ছি না। মেয়েদের হলে ফুলপুরীর মতো আর কাউকে যেন নির্যাতনের শিকার না হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, পিবিআই ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সাজিদ হত্যার খুনিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাজিদের হত্যাকাণ্ডের বিচার অবশ্যই হবে। যেহেতু এটি হত্যাকাণ্ড তাই বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দেখবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এছাড়া আজকের মধ্যেই একটি আনুষ্ঠানিক মামলা রুজু করা হবে। দোষীদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আমরা ইতোমধ্যে উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছি। আজ সন্ধ্যায় সিন্ডিকেট সভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জড়িতদের শাস্তির ব্যাপারে আমরা শতভাগ কঠোর অবস্থানে আছি।