স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, আইনে সংশোধনের উদ্যোগ ইসির
১৫ জুলাই ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে তিনি দেশকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান এবং শিশুদের প্রতি প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ রোপণের অনুরোধ করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। একই সময়ে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একযোগে প্রায় দুই লাখ চারা রোপণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যালয়, বাড়ির আঙিনা বা আশপাশের যেকোনো উপযুক্ত স্থানে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যা করার পাশাপাশি গাছের পরিবেশগত ও মানবজীবনে অবদান সম্পর্কেও জানার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, একটি গাছ কতটা অক্সিজেন উৎপাদন করে, পরিবেশ ও মানুষের জন্য কী ধরনের উপকার বয়ে আনে- এসব বিষয়ে ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা করতে হবে। এতে প্রতি বছর নতুন একটি গাছ সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যালয়ে লাগানো গাছ বড় হলে তা শিক্ষার্থীদের ছায়া দেবে এবং বিশ্রামের স্থান হবে। একইভাবে বাড়ির আশপাশে গাছ লাগালে পরিবেশ শীতল থাকবে, বিশুদ্ধ বাতাস পাওয়া যাবে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, “আজ একটি স্মরণীয় দিন। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক গাছ রোপণ করেছি। এই উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।