মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা বাতিলের অনুমোদন


জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই প্রণয়ন করায় ২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তবে ১৯৯৪ সালের বিদ্যমান অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে সরকার।

৩ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ 

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা বাতিলের অনুমোদন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই প্রণয়ন করায় ২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিরাপদ, কার্যকর, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ঔষধ জনগণের কাছে নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা প্রণয়নের আগে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সেই বিধান অনুসরণ করা হয়নি।

সরকার জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির বৈধতা এ কারণেই উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে গত ২৯ জুন ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল হলেও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের আদেশে প্রণীত অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সেসব ঔষধের সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা আগের মতোই কার্যকর থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিগগিরই অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করা হবে। পাশাপাশি ঔষধের মূল্য এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয় এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকে।