ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি আলোচনা, শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের বৈঠক
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
পাহাড়ি অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের এসব ঐতিহ্যবাহী উৎসব দেশের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করে। তিনি এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকল নৃ-গোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকল জনগণের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও আনন্দ বয়ে আনে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, পাহাড়ি অঞ্চলের নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের সামগ্রিক জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব বৈচিত্র্য দেশের সংস্কৃতিকে করেছে গৌরবময় ও সমৃদ্ধ। মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মিলনের বার্তা আমাদের লোকজ সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। এই ঐতিহ্যই বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এছাড়া দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সকল মানুষের সমান অগ্রগতি, নিরাপত্তা ও সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের এসব উৎসব ও বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনবে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।