রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী


ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা রক্ষা ও বৃত্তাকার নৌপথ উন্নয়নের পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ 

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা বজায় রাখা, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথ উন্নয়নের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে শুধু সরকারি নির্দেশনা বা উদ্যোগের অপেক্ষায় থাকলে চলবে না। পরিবেশ ও নদী রক্ষায় ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামও সভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।