ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, কর্মসূচি পালন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর থেকে। মহানবমী উপলক্ষে ওই দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং পরদিন ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। ফলে সরকারি ছুটির হিসাবে দুর্গাপূজায় মোট দুই দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মূল সরকারি ছুটির বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর, রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর, সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে এ ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করা যাবে। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজার মূল ছুটি দুই দিন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক ছুটির সুবিধা থাকায় পূজার সময়ে ছুটির পরিধি আরও বাড়তে পারে।
প্রতিবছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে। তবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ছুটির ধরন ও সময় একই নয়। সরকারি ছুটির তালিকা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত এবং নিজস্ব ছুটির নীতিমালা অনুযায়ী এ সময়সূচি নির্ধারিত হয়।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী স্কুল ও কলেজে পূজার ছুটির সময় নির্ধারিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে ছুটির সময় নির্ধারণ করা হয় নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। ফলে একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজার ছুটির সময়সূচিতে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।
পূজার সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট সেবা চালু থাকতে পারে। এ ছাড়া এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো জরুরি ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে। তবে কোনো নির্দিষ্ট সেবা বা শাখা খোলা থাকবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।
দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীরা ছুটির দিনেও দায়িত্বে থাকবেন। এ ছাড়া জননিরাপত্তা ও জরুরি সেবা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মীদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিতে পারে।