জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
২৭ মার্চ ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইরানে সাম্প্রতিক আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু সংশ্লিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানিপ্রবাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কয়েকদিন ঈদ ও রোজা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে অফিস-আদালত, কলকারখানাসহ সব কার্যক্রম পূর্ণমাত্রায় শুরু হবে। তখন জ্বালানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বর্তমানে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট শুধু যানবাহন চলাচল বা বিদ্যুৎ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি কলকারখানা, কৃষি এবং অন্যান্য উৎপাদনমুখী খাতেও প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হলে ইন্টারনেটের গতিপ্রকৃতিও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
এ অবস্থায় যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান খোঁজার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের শত শত কোটি মানুষের জন্য কষ্ট ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাই বিশ্ববাসীর স্বার্থে সংঘাত বন্ধ করা জরুরি।