সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ


প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

২৬ মার্চ ২০২৬, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ 

ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। তবে গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “আমরা তাকে নিয়ে এসেছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”

জানা গেছে, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)কে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, কথিত ‘জঙ্গি নাটকের’ প্রবক্তা হওয়া, দুর্নীতির মাধ্যমে জলসিড়ি আবাসন প্রকল্প থেকে শতকোটি টাকা আত্মসাৎ, ‘আয়না ঘর’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত থাকা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের অভিযোগ।

এর আগে গত বছরের মে মাসে আদালত শেখ মামুন খালেদ এবং তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছিল, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কা থেকেই তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

ডিবি সূত্র জানায়, অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। মামলার অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।