শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট পুলিশের হাতে


রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি। গুরুত্বপূর্ণ এসব ফরেনসিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ায় মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল রোববার (২৪ মে) আদালতে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হতে পারে।
রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট পুলিশের হাতে
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন এসব গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন।

শনিবার (২৩ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির পক্ষ থেকে সব ফরেনসিক রিপোর্ট সময়মতো প্রস্তুত করে তদন্তকারী দলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফরেনসিক প্রমাণের অপেক্ষায় থাকা এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম রিপোর্টগুলো পাওয়ার পর প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বৈজ্ঞানিক এই পরীক্ষাগুলোর ফলাফল হাতে আসায় এখন দ্রুততার সঙ্গে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুতের কাজ চলছে। পুলিশ আশা করছে, রোববারের মধ্যেই এটি আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হবে।

এর আগে গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের শয়নকক্ষের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্ন আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ইতিমধ্যেই দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি সোহেল রানা। ফরেনসিক রিপোর্ট ও আসামির জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে একটি নিটোল চার্জশিট গঠনে কাজ করছে পুলিশ।