ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবার পাকিস্তানেও
২৫ মে ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সাক্ষাৎকারে এম তৌহিদ হোসেন বলেন, "আমি মনে করি না আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে।" দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং তার অনুমান- তারা আগামী নির্বাচনেই অংশ নেবে।
এদিকে, শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, এই চিঠি আসলে কোনো কাজে আসবে না তা তিনি আগে থেকেই জানতেন। চিঠির কোনো উত্তর না আসার বিষয়ে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, "উত্তর কি আশা করেছিলাম আমরা? আমি আশা করিনি।"
সাবেক এই উপদেষ্টা সরকারের দায়িত্ব পালনের সময়কার একটি ভেতরের তথ্য প্রকাশ করে জানান, তিনি ৩ বার কুইট বা পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বলা হয়েছিল যে, এই সময়ে তার পদত্যাগ অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করবে।
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে। এই চুক্তির বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা স্পষ্ট করে এম তৌহিদ হোসেন বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই চুক্তির বিষয়ে সামান্যতমও জড়িত (ইনভলভ) ছিল না। এটি পুরোপুরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার) মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে 'ডিপস্টেট' বা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সক্রিয় কোনো গোপন শক্তির প্রভাব ছিল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, "ডিপস্টেট সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিটা ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। পৃথিবীতে প্রতিটি ঘটনাতেই ডিপস্টেট কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকে।"