বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

বিতর্ক-নাটকীয়তার পর আবারও ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি


আন্দ্রেয়া পিরলোকে ঘিরে বিতর্ক, কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়া এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি ও তার উপদেষ্টা লিওনার্দোর পদত্যাগের পর ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরছেন রবার্তো মানচিনি। ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি) তার নিয়োগ নিশ্চিত করেছে।

২৮ জুলাই ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ 

বিতর্ক-নাটকীয়তার পর আবারও ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বিতর্ক আর নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত পরিচিত মুখের ওপরই আস্থা রাখল ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি)। ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন রবার্তো মানচিনি।

একাধিক ইতালীয় গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য প্রকাশের পর রয়টার্সও জানিয়েছে, এফআইজিসির সভাপতি জিওভান্নি মালাগো ফেডারেল কাউন্সিলের সভায় মানচিনির নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত এপ্রিলে গেন্নারো গাত্তুসো পদত্যাগ করার পর থেকেই নতুন কোচের সন্ধানে ছিল ইতালি। শুরুতে অভিজ্ঞ দুই কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও পেপ গার্দিওলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা দায়িত্ব নিতে আগ্রহ দেখাননি। এরপর আন্দ্রেয়া পিরলোকে প্রধান প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠান ফনবেটের সঙ্গে তার বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

পিরলোকে জাতীয় দলের দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষে ছিলেন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি এবং তার উপদেষ্টা লিওনার্দো। কিন্তু ফেডারেশন শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৬ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন দুজনই। তাদের পদত্যাগের ফলে ইতালির কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে আবারও রবার্তো মানচিনির ওপর আস্থা রেখেছে এফআইজিসি। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইতালির দায়িত্বে থাকা এই কোচের অধীনেই ২০২১ সালে (ইউরো ২০২০) ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বাদ পায় আজ্জুরিরা। তার সময়েই ইতালি টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অনন্য রেকর্ড গড়েছিল।

সৌদি আরব জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার পর গত মাসে কাতারের ক্লাব আল-সাদের সঙ্গেও সম্পর্কের ইতি টানেন মানচিনি। এখন দ্বিতীয় মেয়াদে ইতালির দায়িত্ব নিয়ে তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে দলকে আবারও আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থানে ফিরিয়ে আনা।