দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম
২১ জুন ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
২০১৪ সালে চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের পর কেটে গেছে দীর্ঘ ১২ বছর। গত দুই আসরে (২০১৮ ও ২০২২) গ্রুপ পর্ব থেকেই লজ্জাজনক বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। অবশেষে সেই খরা কাটল। ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতল তারা। ফিলাডেলফিয়ায় আফ্রিকার ‘হাতি’ খ্যাত আইভরিকোস্টকে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো ডাই ম্যানশাফটরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরিকোস্টের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে জার্মানি। শুরুর দিকেই একবার বল জালে জড়িয়ে উল্লাসে মেতেছিল তারা, তবে রেফারি ফাউলের কারণে তা বাতিল করে দেন। ম্যাচের ৩০ মিনিটে উল্টো গোল হজম করে বসে ন্যাগলসম্যানের শিষ্যরা। জার্মান বক্সের ভেতর এক জটলার সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত শটে আইভরিকোস্টকে এগিয়ে নেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্ক কেসি।
পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া জার্মানি আবারও প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছিল। কাই হাভার্টজের শটটি জালে জড়ালেও রেফারি পুনরায় গোলটি বাতিল করেন। শট নেওয়ার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে আইভরিকোস্টের ডিফেন্ডার ইমানুয়েল আগবাদু ফাউলের শিকার হওয়ায় গোলটি কাউন্ট হয়নি। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় জার্মানি।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধার বাড়ালেও আইভরিকোস্টের জমাট ডিফেন্স লাইনে এসে বারবার খেই হারাচ্ছিল জার্মানির আক্রমণভাগ। অবশেষে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ডেনিজ উনদাভ। নাদিম আমিরির চমৎকার ক্রস থেকে হেডে (বা শটে) জার্মানদের সমতায় ফেরান এই স্ট্রাইকার।
সমতায় ফেরার পর ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই মঞ্চস্থ হয় আসল নাটক। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ম্যাচের যোগ করা সময়ের (ইঞ্জুরি টাইম) ৪ মিনিটে আবারও আইভরিকোস্টের রক্ষণ দুর্গ চূর্ণ করেন সেই উনদাভ। মাঝমাঠ থেকে আসা এক নিখুঁত থ্রু পাস ধরে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে জার্মানিকে উল্লাসে ভাসান তিনি। শেষ পর্যন্ত তার এই জোড়া গোলেই ২-১ ব্যবধানের নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জার্মানি।
এই জয়ের পর দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘ই’ (বা সংশ্লিষ্ট গ্রুপ)-এর শীর্ষস্থান মজবুত করার পাশাপাশি নকআউট নিশ্চিত করেছে জার্মানি। অন্যদিকে, সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে আছে আইভরিকোস্ট। ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা আফ্রিকার দলটির নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনও ভালোভাবেই টিকে আছে। গ্রুপের অন্য দুই দল একুয়েডর ও কুরাসাও (এক ম্যাচ করে খেলা) এখনও কোনো পয়েন্টের মুখ দেখেনি।