সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

রমজানজুড়ে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের


পবিত্র রমজান মাসজুড়ে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ 

রমজানজুড়ে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। গত ৫ জানুয়ারি রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠান তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়ে আসছে- যা আইন, প্রথা ও নীতির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে আইন ছাড়া কিছু করা যাবে না উল্লেখ রয়েছে এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘আইন’ বলতে দেশে প্রচলিত যেকোনো প্রথা ও রীতিকেও বোঝায়। সে আলোকে রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক বলে দাবি করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে। এতে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু থাকলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলেও উল্লেখ করা হয় নোটিশে।

আইনি নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশের অনুলিপি প্রকাশের পর পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে।