বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে উত্তরবঙ্গকে কৃষি রাজধানী করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের


উত্তরবঙ্গকে বাংলাদেশের গৌরবের কৃষি রাজধানীতে পরিণত করতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আধুনিক কৃষি, শিল্পায়ন ও রপ্তানি সুবিধা নিশ্চিত করে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে দেওয়া হবে।

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ 

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে উত্তরবঙ্গকে কৃষি রাজধানী করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে পুরো উত্তরবঙ্গকে বাংলাদেশের গৌরবের কৃষি রাজধানীতে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সরকারি স্কুল মাঠে ১০ দলীয় জোট আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ও বিনা সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরবরাহের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন তিন গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এবং পচে যাওয়ার ভয়ে কম দামে বিক্রি ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় হিমাগার ও ফসল সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলে বেকারত্ব দূর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে যুবকদের কাজের সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে না হয়। জাপান, ভিয়েতনাম ও চীনের আদলে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরকে একেকটি উৎপাদনমুখী ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুবকদের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, বেকার ভাতা দেওয়ার পরিবর্তে যুবসমাজের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে। বেকার ভাতাকে তিনি ‘অপমানের চাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে চাকরিতে প্রবেশের আগ পর্যন্ত প্রশিক্ষণকালীন সময়ে শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীদের সরকারি কোষাগার থেকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। নারী ও পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মা-বোনদের জন্য নিরাপদ আবাসন, যাতায়াত ব্যবস্থা ও কর্মস্থল নিশ্চিত করা হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। শেষে তিনি সমাজে কোনো বিভাজন সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানান।