বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
চব্বিশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকায় ইতিহাসে নজিরবিহীন হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ওই সময় রামপুরা ছিল একটি ‘হটস্পট’, যেখানে ২৫ মার্চের কালরাতের মতো বাসা-বাড়িতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়। এই ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রামপুরা এলাকায় আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শুনানিকালে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম মুন। মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
চিফ প্রসিকিউটরের সূচনা বক্তব্য শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন। এদিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন বিশ্বজিৎ রাজবংশী। তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রামপুরায় বিজিবির গুলিতে তার বাবা গঙ্গাচরণ রাজবংশী নিহত হন। সাক্ষ্যে তিনি ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের জেরা করার জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।