বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

যশোরে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন


চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোরের ঝিকরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আরও তিন সহযোগীসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৯ জুলাই ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ 

যশোরে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে আরও তিন সহযোগীসহ আটক করা হয়।

যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঝিকরগাছা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডেভিড ইমনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

যশোর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও স্থানীয় কোতোয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ডেভিড ইমন এবং তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডেভিড ইমন জানিয়েছেন, তারা বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। গ্রেপ্তারের পরই তাকে ও তার সহযোগীদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে গত রোববার চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন ডেভিড ইমন। অভিযোগ রয়েছে, দাবি করা অর্থ না পাওয়ায় তার বাহিনীর সদস্যরা ওই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

পুলিশ জানিয়েছে, ডেভিড ইমনের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায়। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।