সরকারি পে-স্কেলের পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক উত্তমকুমারকে সত্যিকার অর্থেই একজন ‘আইকন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। মহানায়কের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি বলেন, ‘আইকন’ শব্দটির সার্থক বাংলা প্রতিশব্দ খুঁজতে হলে সেই নামটি অবশ্যই উত্তমকুমার।
জয়া আহসান লিখেছেন, ‘আইকন শব্দটির যদি কোনো সার্থক বাংলা প্রতিশব্দ খুঁজতে হয়, তবে সেই শব্দ বা নামটি অবশ্যই উত্তমকুমার। একশ বছর পরেও বাংলা সিনেমায় তার মতো উজ্জ্বল সর্বগ্রাসী উপস্থিতি নজিরবিহীন।’ উত্তমকুমার শুধু একজন অভিনেতা বা নায়ক ছিলেন না বলেও মনে করেন জয়া। তার মতে, একজন শিল্পীর বহুমাত্রিক সত্তার যে অনন্য সমন্বয় প্রয়োজন, তার ব্যক্তিত্বে ছিল সেই বিরল উপস্থিতি।
জয়া লিখেছেন, ‘একজন শিল্পীর যে বহুমাত্রিক সত্তা, তারই এক অনন্য সমন্বয় তার ব্যক্তিত্বে। পর্দায় তার অভিনয় যেমন দর্শককে মুগ্ধ করেছে, পর্দার বাইরেও তার ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে এক স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক অভিঘাত।’
মহানায়কের জনপ্রিয়তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, শুধু জনপ্রিয়তাই উত্তমকুমারের পরিচয়ের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়। তিনি ছিলেন বাঙালির মনের নায়ক এবং এমন এক প্রতীক, যার সঙ্গে বাঙালির পুরুষত্ব, ব্যক্তিত্ব, সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসের বিশেষ আবেগ আজও জড়িয়ে রয়েছে।
জয়ার ভাষায়, ‘জনপ্রিয়তা তাকে মহানায়ক করেছে; কিন্তু শুধু জনপ্রিয়তা তার পরিচয়ের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়। তিনি বাঙালির মনের নায়ক; এমন এক প্রতীক, যার সঙ্গে বাঙালির পুরুষত্ব, ব্যক্তিত্ব, সৌন্দর্য এবং আত্মবিশ্বাসের একটি বিশেষ আবেগ আজও জড়িয়ে আছে।’
কালজয়ী এই অভিনেতার প্রভাব নিয়ে জয়া আহসান আরও লিখেছেন, সময়ের সঙ্গে প্রজন্ম বদলেছে, বদলেছে বাংলা সিনেমার ভাষা ও উপস্থাপনাও। তবে উত্তমকুমারকে ঘিরে গড়ে ওঠা সেই কিংবদন্তি আজও অমলিন। তিনি লিখেছেন, ‘সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, বাংলা সিনেমার ভাষাও বদলেছে। কিন্তু উত্তমকুমার নির্মিত সেই মিথ এখনও অমলিন।’ সবশেষে মহানায়কের জন্মশতবর্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে জয়া আহসান বলেন, ‘ভালোবাসা ও নিরন্তর মুগ্ধতার এই ঋণ কখনও ফুরোনোর নয়।’