মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

সংবিধান সংশোধন ছাড়া বিকল্প নেই: চিফ হুইপ


রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের সামনে এ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ 

সংবিধান সংশোধন ছাড়া বিকল্প নেই: চিফ হুইপ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, জুলাই সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর এবং এজন্য সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জুলাই সনদের প্রতিটি লাইন, সেমিকোলন ও দাঁড়ি-কমা হুবহু বাস্তবায়ন করা। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মো. আখতারুজ্জামান মিয়া

দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর মূল দর্শন হলো প্রতিটি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “যদি আপনার ভাই কাজ না পায় এবং প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে, তবে সেই রাষ্ট্রের সার্থকতা কোথায়?” মানুষের প্রথম মৌলিক চাহিদা অন্ন-এটি নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পায়। অন্যথায় সাধারণ রিকশাচালক থেকে বড় ব্যবসায়ী- কেউই নিরাপদ থাকবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ শাসনামলে মানুষের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিল। সে সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছিল না এবং সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রাখা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, সেই পরিস্থিতি থেকে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া অর্থনীতি ও গণতন্ত্র পুনর্গঠনে কাজ করেন।

চিফ হুইপ অভিযোগ করে বলেন, বিগত দেড় দশকের শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অর্থ পাচারের কারণে অর্থনীতি বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থার মুখে রয়েছে।