‘আমি ধর্ষিতার বাবা হতে চাইনি, গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম’-পল্লবীতে শিশু হত্যা মামলার রায় আজ
৮ জুন ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে এসে দাঁড়ায় এবং সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে পুরোপুরি আড়াল করে দেয়। এই সময়ে চাঁদের ছায়ার কেন্দ্রীয় অংশে যারা অবস্থান করেন, তারা কিছু সময়ের জন্য দিনেই রাতের অন্ধকার নেমে আসতে দেখেন।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, ১২ আগস্টের এই পূর্ণ সূর্যগ্রহণের মূল পথটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ইউরোপের কিছু অংশ অতিক্রম করবে। এর মধ্যে রয়েছে:
পূর্ণ সূর্যগ্রহণ: পূর্ব গ্রিনল্যান্ড, পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর স্পেন এবং উত্তর-পূর্ব পর্তুগালের একটি ছোট এলাকায় সূর্য পুরোপুরি ঢেকে যাবে।
আংশিক সূর্যগ্রহণ: ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চল, উত্তর উত্তর আমেরিকা এবং উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকায় আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এসব স্থানে সূর্যের একটি অংশ চাঁদের আড়ালে থাকলেও বাকি অংশ দৃশ্যমান থাকবে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, পূর্ণ গ্রহণের সময় সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল বা ‘করোনা’ খালি চোখে একটি মৃদু আলোর বলয়ের মতো দেখাবে। চারপাশের আকাশ কিছুটা অন্ধকার হয়ে আসবে এবং তাপমাত্রাও সামান্য কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে আকাশের কিছু গ্রহকে এই সময়ে তুলনামূলক বেশি উজ্জ্বল দেখাবে।
নাসা জানিয়েছে, অধিকাংশ স্থানে এই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দুই মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী হবে। তবে গ্রিনল্যান্ড, রাশিয়া এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের গ্রহণপথের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে এটি কিছুটা বেশি সময় ধরে দেখা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই এর স্থায়িত্ব আড়াই মিনিটের বেশি হবে না।
আংশিক গ্রহণের সময় কোনোভাবেই খালি চোখে সরাসরি সূর্যের দিকে না তাকানোর জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছে নাসা। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশেষ সুরক্ষাযুক্ত গ্রহণ দেখার চশমা বা নিরাপদ সৌর ছাঁকনি ছাড়া সূর্যের দিকে তাকালে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।