সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পথে অগ্রগতি, ই-রিকুইজিশনের সময় বাড়ালো


১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি জোরদার করেছে এনটিআরসিএ। এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা জানাতে ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

১২ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ 

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পথে অগ্রগতি, ই-রিকুইজিশনের সময় বাড়ালো
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানায়, আগামী ১৫ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের অনলাইনে শিক্ষক চাহিদা জমা দিতে হবে। এর আগে, ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ৩১ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে অধিকসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সময় বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সৃষ্ট শূন্যপদের চাহিদা বিবেচনায় নেওয়া হবে। এছাড়া, ২০২৫ সালের ৭ম নিয়োগ সুপারিশ (বিশেষ) বিজ্ঞপ্তির সময় যেসব প্রতিষ্ঠান ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ সম্পন্ন করেছিল, কেবল তারাই বর্ধিত সময়ের মধ্যে ই-রিকুইজিশন জমা দিতে পারবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অফলাইন, হার্ডকপি বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না। এনটিআরসিএ আইন-২০০৫ অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শূন্যপদের জন্য ই-রিকুইজিশন করা বাধ্যতামূলক। তা না হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এ জন্য এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট অথবা নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের ‘ই-রিকুইজিশন’ সেবার মাধ্যমে ফরম পূরণ করতে হবে। নির্দেশিকা মেনে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।