এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
নবম পে স্কেল ঘোষণার দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ১টার পর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে থেকে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হন। বেলা ১১টার দিকে তারা ঘোষণা দিয়ে যমুনার উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতিতে তারা প্রথম দফায় বাধার মুখে পড়েন। সেখানে লাঠিচার্জ না হলেও আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করা হয়।
পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান। সেখানে তারা সড়কে বসে পড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেলা সাড়ে ১১টার পর আরও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে বিজিবির সদস্যরাও উপস্থিত হন।
প্রথমে পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে তারা সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ অভিযান শুরু করে। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বারবার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে পড়েন। সেখানেও পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ব্যাপকভাবে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয় এবং একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন বলে জানা গেছে।
শেষ পর্যন্ত দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা পুরোপুরি ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চার থেকে পাঁচজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর থেকে আসা আন্দোলনকারীরাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।