এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
১৭ নভেম্বর ২০২৫, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) একটি তামা ও কোবাল্ট খনিতে সেতু ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৩২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তবে খনি খাত তদারকি সংস্থা এসএইএমএপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ৪০–এর কম নয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় লুয়ালাবা প্রদেশের কালান্ডো খনিতে শনিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোয়া কাওমবে মায়োন্ডে জানান, কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় খনি এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তা সত্ত্বেও বেপরোয়া শ্রমিকরা জোর করেই খনিতে ঢুকে পড়ে।
বন্যার পানি ঠেকাতে খনির ভেতর অস্থায়ীভাবে একটি সেতু তৈরি করা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যায়, বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একসঙ্গে দৌড়ে সেতুটি পার হওয়ার চেষ্টা করায় সেটি ভেঙে পড়ে। সেতু ভেঙে পড়ার পর শ্রমিকরা একে অপরের ওপর পড়ে যায়, ফলে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন।
এসএইএমএপি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনার আগে ঘটনাস্থলে সেনাদের গুলিবর্ষণের শব্দে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে সবাই সেতুর দিকে ছুটতে শুরু করলে সেতুটি ধসে পড়ে। এতে অনেক শ্রমিক দগ্ধও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, কালান্ডো খনিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সমবায় গোষ্ঠী, বেপরোয়া খনিকর্মী এবং বৈধ পরিচালনাকারীদের মধ্যে তীব্র বিরোধ চলছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রাদেশিক সমন্বয়ক আর্থার কাবুলো জানান, খনিটিতে ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন।
দুর্ঘটনার পর রোববার খনি এলাকায় সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ। এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ—খনিশ্রমিকদের সঙ্গে সেনাদের সংঘর্ষের ঘটনাই আতঙ্ক বাড়িয়ে এ দুর্যোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।