মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

ইউরোপেও ছড়াচ্ছে ইরান যুদ্ধের প্রভাব, আজারবাইজানে ড্রোন হামলা


ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে এবার আজারবাইজানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

৫ মার্চ ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ 

ইউরোপেও ছড়াচ্ছে ইরান যুদ্ধের প্রভাব, আজারবাইজানে ড্রোন হামলা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। নিজেদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ এবং ইসলামী শাসনব্যবস্থা রক্ষায় মরিয়া হয়ে লড়ছে ইরান।

ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ও নিরাপত্তা বাহিনী। টানা ছয় দিন ধরে চলা হামলা-পাল্টা হামলায় কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই এই সংঘাতের প্রভাব। যুদ্ধের আঁচ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে ইউরোপের দিকেও। তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের একদিন পর এবার আজারবাইজানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া বেশ কয়েকটি ড্রোন দেশটির ভূখণ্ডে এসে পড়েছে। এর মধ্যে একটি ড্রোন সরাসরি আঘাত হানে নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে। এছাড়া শাকারাবাদ এলাকায় একটি স্কুল ভবনের কাছেও আরেকটি ড্রোন আছড়ে পড়ে। এসব হামলায় অন্তত দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের ভূখণ্ড থেকে চালানো এই ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এই হামলায় বিমানবন্দরের ভবনের ক্ষতি হয়েছে এবং দুইজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এদিকে উত্তর উপসাগর অঞ্চলে একটি মার্কিন ট্যাংকারে হামলার দাবিও করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার সকালে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে জানিয়েছে আল জাজিরা।

আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজকে ওই সমুদ্রপথ দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। বাহিনীটি সতর্ক করে বলেছে, এসব জাহাজ দেখা গেলে সেগুলোর ওপর হামলা চালানো হবে।