স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, আইনে সংশোধনের উদ্যোগ ইসির
১৫ জুলাই ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব এবার বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে মঞ্চে উঠতে যাচ্ছেন।
বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন, আগামী ১৯ জুলাই, রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে অনুষ্ঠিত ‘ফ্যান ফেস্ট ২.০’-এর সমাপনী আয়োজনে বিশেষ পরিবেশনা করবেন তিনি। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সঞ্জয়ের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে দর্শকদের উচ্ছ্বাস আরও বাড়বে।
বিশ্বকাপের দুই সেমিফাইনাল ও ফাইনাল উপলক্ষে ছয় দিনব্যাপী এই ফ্যান ফেস্টের আয়োজন করেছে ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনস। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে বড় পর্দায় সরাসরি ম্যাচ দেখার পাশাপাশি থাকছে লাইভ কনসার্ট, ডিজে পারফরম্যান্স এবং নানা ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান।
আজ প্রথম সেমিফাইনালের দিন থেকেই শুরু হচ্ছে ফ্যান ফেস্ট। উদ্বোধনী দিনে পারফর্ম করবেন ফিরোজ জং ও ডিজে সুমন। দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দিন মঞ্চে উঠবেন ব্ল্যাক জ্যাং এবং ডিজে তন্ময়।
১৬ জুলাই থাকছেন সংগীতশিল্পী তাসনিম আনিকা ও ডিজে প্রিয়ন্তী। ১৭ জুলাই দর্শকদের মাতাবেন মিলা ইসলাম, ডিজে রিশাদ ও ডিজে তৃষা। ১৮ জুলাই পারফর্ম করবেন ডিজে সানী। আর সমাপনী দিন ১৯ জুলাই বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চে উঠবেন সঞ্জয় দেব। তার সঙ্গে থাকবেন ডিজে জুডু। এরই মধ্যে অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিট টুমরো-তে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রথম দুই দিনের প্রতিদিনের টিকিটের মূল্য ৫০০ টাকা। পরবর্তী তিন দিনের প্রতিদিনের টিকিট ৩০০ টাকা এবং ফাইনাল ম্যাচের দিনের টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা।
বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলে জন্ম নেওয়া সঞ্জয় দেবের বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রে। মাত্র তিন বছর বয়সে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে হাতেখড়ি হয় তার। ১১ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক ইলেকট্রনিক ড্যান্স মিউজিক (ইডিএম) প্রযোজক ও ডিজে হিসেবে কাজ করছেন। তার প্রযোজনায় গান গেয়েছেন অরিজিৎ সিং, গুরু রন্ধাওয়া, সুনিধি চৌহান, জনিতা গান্ধী, বেনি দয়াল, নোরা ফাতেহি, কনা, হাবিব ওয়াহিদ এবং জেফারের মতো জনপ্রিয় শিল্পীরা।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কানাডা পর্বে সঞ্জয় দেবের পরিবেশনা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। শুধু সংগীত নয়, নিজের পোশাকেও তিনি তুলে ধরেন বাংলাদেশের পরিচয়। তার মেরুন রঙের স্যুটে স্থান পায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার, শাপলা এবং লাল-সবুজের নকশা, যা আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পরিচিতিকে নতুনভাবে তুলে ধরে।