মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

বিজয় দিবসের আগেই প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ সম্পন্ন


মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় এক অনন্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ৭:৩২ অপরাহ্ণ 

বিজয় দিবসের আগেই প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ সম্পন্ন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে সরকার। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

বিগত কয়েক বছরের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বৃহৎ ও জটিল কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া একটি বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ও শিক্ষাবান্ধব নীতির পাশাপাশি এই সাফল্যের পেছনে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, পরিবহন সংস্থা এবং এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস শ্রম ও পেশাদারি নিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই প্রায় সাড়ে আট কোটিরও বেশি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও প্রস্তুত করা ছিল একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কর্মযজ্ঞ। সময়মতো এই বিপুল পরিমাণ পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করার ফলে দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যপুস্তক হাতে পাবে, যা শিক্ষার ধারাবাহিকতা ও মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্য সরকারের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে অটল প্রতিশ্রুতির সুস্পষ্ট প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।এনসিটিবির এই ঐতিহাসিক অর্জন উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ দেশের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই সাফল্য বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।