মৈত্রী পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার টন ডিজেল
৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, ওকালতি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিসহ নানা আর্থিক লাভজনক পেশায় যুক্ত ছিলেন। এতদিন এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো আইনি বাধা না থাকায় বিশেষ করে মফস্বল এলাকায় অধিকাংশ এমপিওভুক্ত শিক্ষকই অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে এসব কাজে জড়িত ছিলেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন এমপিও নীতিমালায় এই চর্চার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নতুন এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে ১১ নম্বর ধারার ১৭ উপধারার ‘ক’ ও ‘খ’ বিধিতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে—এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একাধিক চাকরি বা অন্য কোনো আর্থিক লাভজনক পেশায় নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।
নীতিমালার মূল নিষেধাজ্ঞা
১১.১৭ (ক)- এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী একাধিক পদের চাকরি বা অন্য কোনো আর্থিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না। তদন্তে প্রমাণিত হলে তার এমপিও বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে সরকার।
১১.১৭ (খ)- ‘আর্থিক লাভজনক পেশা’ বলতে বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিকতা এবং আইন পেশায় কর্মের বিনিময়ে পাওয়া বেতন, ভাতা বা সম্মানীকে বোঝানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে সাংবাদিকতাকে আলাদা করে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। তিনি বলেন-
“সরকারি চাকরিজীবীর মতো এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরাও সরকারের অর্থে বেতন, বাড়িভাড়া, ঈদ বোনাসসহ বিভিন্ন সুবিধা পান। তাই একই সঙ্গে অন্য আর্থিক লাভজনক পেশায় সম্পৃক্ত থাকায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, নীতিমালা লঙ্ঘন করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রভাব
নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এখন থেকে শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, আইন পেশা বা অন্য কোনো আর্থিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না। এতে বহু শিক্ষকের বাড়তি আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।