মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বেসরকারি স্কুল–কলেজের নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ প্রকাশ


বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালায় জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ বাতিলসহ শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫২ অপরাহ্ণ 

বেসরকারি স্কুল–কলেজের নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ প্রকাশ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

নতুন নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদের যোগ্যতার মানদণ্ডেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য দুই বছরের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে আবেদন করতে পারবেন।

এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কঠোরতা বাড়িয়ে নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিনা অনুমতিতে ৬০ দিন বা তার বেশি সময় অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন না। ৬০ দিন অতিক্রম হলে ওই পদ শূন্য ঘোষণা করে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

নতুন জনবল কাঠামোয় একাদশ শ্রেণিতে বিভাগ খোলা ও নতুন শাখা চালুর ক্ষেত্রেও নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ খোলার জন্য প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম ৩৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে নতুন শাখা খুলতে ন্যূনতম ২৫ জন শিক্ষার্থী প্রয়োজন। মফস্বল এলাকায় মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় ন্যূনতম ৩০ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগে ২০ জন শিক্ষার্থী থাকার শর্ত রাখা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করছে, নতুন এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ, এমপিওভুক্তি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও মানসম্মত হবে।