শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

প্রথম দিনেই অনুপস্থিত প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী, সিলেবাস নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ


ব্যাপক নিরাপত্তা ও তীব্র গরমের মধ্য দিয়ে সারাদেশে শুরু হয়েছে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ১০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিলেও অনুপস্থিত ছিলেন প্রায় ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও, একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে ফিরে যাওয়া এবং অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর সরকারি সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

২ জুলাই ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ 

প্রথম দিনেই অনুপস্থিত প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী, সিলেবাস নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৪ হাজার। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে পরিচালিত আটটি কেন্দ্রের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। একদিকে তীব্র যানজট আর ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ছিল চরম উদ্বেগ। বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে একাধিক অভিভাবক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশেরই মত, বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সামগ্রিকভাবে মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সৃজনশীল অংশ তুলনামূলক সহজ হলেও, বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশের কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে অনেক পরীক্ষার্থী।

শৃঙ্খলা রক্ষায় এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের 'বডি-ওয়ার্ন' ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও তল্লাশি থাকলেও পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের অতিরিক্ত হয়রানি বা বাড়াবাড়ির অভিযোগ করেনি। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের বাইরে যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৪ হাজার। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে পরিচালিত আটটি কেন্দ্রের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে উদ্বেগ ও দুর্ভোগ

আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। একদিকে তীব্র যানজট আর ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ছিল চরম উদ্বেগ।

গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা অভিভাবকদের স্বস্তি দিতে রাজধানীর কিছু পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের স্বেচ্ছাসেবকদের বিনামূল্যে হাতপাখা বিতরণ করতে দেখা গেছে।

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা

বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে একাধিক অভিভাবক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবক সুবর্ণা বিশ্বাস বলেন:

"পরীক্ষার মাত্র এক-দুই মাস আগে সিলেবাস ও প্রশ্নপদ্ধতিতে এত বড় পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক মানসিক চাপের কারণ হয়েছে। এতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।"

আরেক অভিভাবক কামরুজ্জামান মনে করেন, এই নতুন সিলেবাস চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে কার্যকর না করে ২০২৭ সালের পরীক্ষার্থীদের জন্য लागू করা হলে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পেত। এই ধরনের বড় সিদ্ধান্ত অন্তত এক বছর আগে জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রশ্নপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশেরই মত, বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সামগ্রিকভাবে মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সৃজনশীল অংশ তুলনামূলক সহজ হলেও, বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশের কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে অনেক পরীক্ষার্থী।

নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শৃঙ্খলা রক্ষায় এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের 'বডি-ওয়ার্ন' ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও তল্লাশি থাকলেও পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের অতিরিক্ত হয়রানি বা বাড়াবাড়ির অভিযোগ করেনি। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের বাইরে যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৪ হাজার। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে পরিচালিত আটটি কেন্দ্রের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে উদ্বেগ ও দুর্ভোগ

আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। একদিকে তীব্র যানজট আর ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ছিল চরম উদ্বেগ।

গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা অভিভাবকদের স্বস্তি দিতে রাজধানীর কিছু পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের স্বেচ্ছাসেবকদের বিনামূল্যে হাতপাখা বিতরণ করতে দেখা গেছে।

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা

বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে একাধিক অভিভাবক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবক সুবর্ণা বিশ্বাস বলেন:

"পরীক্ষার মাত্র এক-দুই মাস আগে সিলেবাস ও প্রশ্নপদ্ধতিতে এত বড় পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক মানসিক চাপের কারণ হয়েছে। এতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।"

আরেক অভিভাবক কামরুজ্জামান মনে করেন, এই নতুন সিলেবাস চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে কার্যকর না করে ২০২৭ সালের পরীক্ষার্থীদের জন্য लागू করা হলে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পেত। এই ধরনের বড় সিদ্ধান্ত অন্তত এক বছর আগে জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রশ্নপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশেরই মত, বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সামগ্রিকভাবে মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সৃজনশীল অংশ তুলনামূলক সহজ হলেও, বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশের কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে অনেক পরীক্ষার্থী।

নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শৃঙ্খলা রক্ষায় এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের 'বডি-ওয়ার্ন' ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও তল্লাশি থাকলেও পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের অতিরিক্ত হয়রানি বা বাড়াবাড়ির অভিযোগ করেনি। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের বাইরে যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৪ হাজার। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে পরিচালিত আটটি কেন্দ্রের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে উদ্বেগ ও দুর্ভোগ

আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। একদিকে তীব্র যানজট আর ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ছিল চরম উদ্বেগ।

গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা অভিভাবকদের স্বস্তি দিতে রাজধানীর কিছু পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের স্বেচ্ছাসেবকদের বিনামূল্যে হাতপাখা বিতরণ করতে দেখা গেছে।

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা

বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে একাধিক অভিভাবক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবক সুবর্ণা বিশ্বাস বলেন:

"পরীক্ষার মাত্র এক-দুই মাস আগে সিলেবাস ও প্রশ্নপদ্ধতিতে এত বড় পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক মানসিক চাপের কারণ হয়েছে। এতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।"

আরেক অভিভাবক কামরুজ্জামান মনে করেন, এই নতুন সিলেবাস চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে কার্যকর না করে ২০২৭ সালের পরীক্ষার্থীদের জন্য लागू করা হলে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পেত। এই ধরনের বড় সিদ্ধান্ত অন্তত এক বছর আগে জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রশ্নপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশেরই মত, বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র সামগ্রিকভাবে মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সৃজনশীল অংশ তুলনামূলক সহজ হলেও, বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশের কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে অনেক পরীক্ষার্থী।

নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শৃঙ্খলা রক্ষায় এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের 'বডি-ওয়ার্ন' ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও তল্লাশি থাকলেও পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের অতিরিক্ত হয়রানি বা বাড়াবাড়ির অভিযোগ করেনি। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের বাইরে যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।