শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

আখাউড়া উপজেলায় ফসলি জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটিকাটা থামছে না কিছুতেই!


১ জুলাই ২০২৫, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ 

আখাউড়া উপজেলায় ফসলি জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটিকাটা থামছে না কিছুতেই!
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে একাকার করে দিচ্ছেন এক শ্রেণী ভূমিদস্যুরা। প্রশাসন একদিকে বন্ধ করলে এই ভূমিদস্যরা আরেক জায়গায় অবৈধ ড্রেজার দিয়ে ফসলি জমি গুলি একের পর এক ধূলিসাৎ করে দেয়। আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে  অনুসন্ধানে গেলে এমনই কিছু দৃশ্য ধরা পড়ে আমাদের চোখে। আমরা বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনকে অবগত করলে  কোন কোন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করেন। কিন্তু এটি নির্মল যেন হচ্ছেই  না দিনের পর দিন এটি ব্যাপক আকার ধারণ করছে। সুশীল সমাজ বলছেন এখনই এইসব ড্রেজার গুলির বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে শাস্তি জেল-জরিমানা নিশ্চিত না করা গেলে এইসব ভূমিদস্যদের কখনোই থামানো সম্ভব না।

২৬ শে জুন ধরখার ইউনিয়নের রুটি মৌজায় গিয়ে দেখা যায় সেখানে অবৈধ ড্রেজার  দিয়ে ফসলি জমি থেকে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে বিষয়টি তন্তর ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কে বিষয়টি অবগত করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যথাস্থান পরিদর্শন করেন এবং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ টি উচ্ছেদ করেন। এবং এই অবৈধ ড্রেজার পরিচালনাকারীকে সতর্ক করেন দ্বিতীয়বার যদি আবারও একই অপকর্ম করা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তবে ভূমি কর্মকর্তারা তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে যাওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হল ভূমি  কর্মকর্তাদের কথা এই ভূমিদস্যুরা কর্ণপাত করে না। বিদায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াটা অতীব জরুরী দ্বিতীয় স্থানটি রুটি দক্ষিণপাড়া জজু মিয়ার বাড়ির পশ্চিম পাশে এটি সহকারী কমিশনার ভূমিকে অবগত করলে তিনি ও পরিদর্শন করেন কিন্তু ঘটনাস্থলে কাউকে জেল জরিমানার করা যায়নি একদিন পর এই ভূমিদস্যু ড্রেজার টি পুনরায় চালু করেছে এ যেন  চোর পুলিশ খেলছেন আখাউড়া উপজেলা ভিবিন্ন এলাকর ভূমিদস্যরা। এটা গেল  ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার বিষয় এখানেই শেষ নয় আখাউড়া উপজেলার এমন আরো কয়েকটি স্থানে পুকুর ভরাট চলছে হরদম যা ভূমি আইনে সাংঘর্ষিক।

এটিও মাননীয় সহকারী কমিশনার ভূমিকে অবগত করলে ২৯ জুন ধরখার বসির নামের এক ভূমিদস্যকে পুকুর ভরাটের কারণে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এটি শেষ হতে না হতেই আরেক ভূমিদস্যু ধরখার দক্ষিণপাড়া আরেকটি পুকুর ভরাট করছেন। সুশীল সমাজ বলছেন যতক্ষণ পর্যন্ত এই ভূমিদস্যদেরকে জেল জরিমানা সহ কঠোর অবস্থানে প্রশাসন না যাবে ততদিন পর্যন্ত এইসব ভূমিদস্যদের রোধ করা মোটেও সম্ভব না। অতএব জাতির স্বার্থে জনগণের স্বার্থে আখাউড়া উপজেলা প্রশাসনকে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। প্রশাসন যেন সকল প্রভাবের উর্ধ্বে থেকে এই ভূমিদস্যদের নির্মূলে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।