তিন সপ্তাহেই এক বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে নোলানের ‘দ্য ওডিসি’
১৩ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
নতুন করে ই-বেইলবন্ড সিস্টেমে যুক্ত হওয়া ১২ জেলা হলো- টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, চাঁদপুর, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আগে একটি জামিননামা আদালত থেকে কারাগারে পৌঁছানো এবং আসামিকে মুক্ত করতে ১২টি জটিল ধাপ পার হতে হতো। এখন আইনজীবীরা তাদের চেম্বার বা যেকোনো স্থান থেকে স্মার্টফোনের মাধ্যমে এক ক্লিকেই ই-বেইলবন্ড জমা দিতে পারবেন। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলে ওটিপি ও কনফার্মেশন চলে আসবে।
মন্ত্রী জানান, নারায়ণগঞ্জে পরীক্ষামূলকভাবে ই-বেইলবন্ড চালুর পর দ্বিতীয় ধাপে দেশের আটটি জেলা এবং তৃতীয় ধাপে বগুড়াসহ আরও সাতটি জেলায় এ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর মাধ্যমে মোট ১৬টি জেলায় ইতোমধ্যে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম চালু রয়েছে। এসব জেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ই-বেইলবন্ড নিষ্পত্তি হয়েছে।
নতুন ১২টি জেলা যুক্ত হওয়ায় আরও বেশি বিচারপ্রার্থী এ সুবিধার আওতায় আসবেন। এতে বিচারিক কার্যক্রমের গতি বহুগুণ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।
মামলাজট নিরসনে বিচারকদের উৎসাহিত করে তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে যেসব জেলা জুডিসিয়াল অ্যাক্টিভিজম ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারবে, আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদেমুল কায়েস।
এ ছাড়া পটুয়াখালীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ্, কক্সবাজারের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিউল আযম, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম এবং ঠাকুরগাঁও কারাগারের জেল সুপার মো. মাসুদুর রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, ই-বেইলবন্ড চালুর ফলে বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী অঞ্চলের বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে জামিন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।