এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করতে চায় একটি মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৬ জুলাই ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
সদ্য বিদায়ী জুন মাসের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বিভাগটির সচিব মিরানা মাহরুখ জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে বিল বৃদ্ধির কারণ বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি ও নতুন ট্যারিফের প্রভাব হলেও কিছু ক্ষেত্রে করণিক ভুলের কারণে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মিরানা মাহরুখ বলেন, জুন মাসে অনেক গ্রাহকের বিল বেড়েছে মূলত বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি, ট্যারিফ সমন্বয় এবং উচ্চতর স্ল্যাবে চলে যাওয়ার কারণে। তবে কিছু ক্ষেত্রে তথ্য এন্ট্রির ভুল বা করণিক ত্রুটিও পাওয়া গেছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে তিনি খাগড়াছড়ির একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। সেখানে এক গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার ৭০ ইউনিট হওয়ার কথা থাকলেও ভুলবশত ৭০০ ইউনিট হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। ফলে বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। পরে বিষয়টি শনাক্ত করে সংশোধন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আরও বলেন, ‘ভুতুড়ে বিলের’ অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো গ্রাহকের বিল নিয়ে সন্দেহ বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, সরকার এখনও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর পুরো ব্যয়ের চাপ না পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো এবং প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণে কাজ চলছে। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করা হয় যে, প্রকৃত বিল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।