শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

বিকাশ, নগদ, রকেটে টাকা পাঠানোয় বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলো


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় আরোপিত চার দিনের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে গ্রাহকেরা আবারও স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করতে পারছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ 

বিকাশ, নগদ, রকেটে টাকা পাঠানোয়  বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলো
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্থের অপব্যবহার রোধে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে এসব সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। এর ফলে গ্রাহকেরা এখন থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) লেনদেন করতে পারবেন।

এর আগে গত রোববার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের আওতাধীন ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফারের (আইবিএফটি) মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের অপব্যবহার রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত (পূর্ণ ৯৬ ঘণ্টা) এমএফএসে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করা হয়।

এই বিধিনিষেধের আওতায় জনপ্রিয় এমএফএস প্রতিষ্ঠান যেমন বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর গ্রাহকেরাও প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারেননি। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও পরিষেবা বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অপরিবর্তিত রাখা হয়।

অন্যদিকে, আইবিএফটির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছিল নির্ধারিত সময় পর্যন্ত। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে বড় অঙ্কের অর্থ পাঠাতে না পারায় অনেকে সমস্যায় পড়েন। তবে নির্বাচন শেষ হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সীমাবদ্ধতা তুলে নেয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্বাচনকালীন আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নেওয়া এ পদক্ষেপ সাময়িক হলেও ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গ্রাহকসেবার বিষয়টি আরও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।