শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

লাহোর হাই কোর্টে রিজওয়ানের আবেদন খারিজ


পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির বিরুদ্ধে করা মোহাম্মদ রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন লাহোর হাই কোর্ট। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রিজওয়ানের বিরুদ্ধে তদন্ত ও সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে চাপ আরও বেড়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ 

লাহোর হাই কোর্টে রিজওয়ানের আবেদন খারিজ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির বিরুদ্ধে লাহোর হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে আদালতে তার আবেদন টেকেনি। আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন লাহোর হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি আলিয়া নীলম।

আদালতে রিজওয়ানের আইনজীবী কাজি উমর আলি জানান, তার মক্কেলকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এ সময় বিচারপতি জানতে চান, নোটিশ পাওয়ার পর সেটির জবাব না দিয়ে আদালতে আবেদন করার কারণ কী এবং নোটিশটি কবে পাঠানো হয়েছিল।

জবাবে আইনজীবী জানান, পাকিস্তানে ফেরার পর রিজওয়ানকে নোটিশ পাঠানো হয়। তবে এর আগে লন্ডনের একটি হোটেলে অবস্থানের সময় তাকে প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সে সময় কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় রিজওয়ানকে বলা হয়েছিল তার মোবাইল ফোন তিন ঘণ্টার জন্য রাখা হবে। কিন্তু এরপরও ফোনটি তাকে ফেরত দেওয়া হয়নি।

এদিকে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির তদন্তের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজওয়ানের আইনজীবী। তার দাবি, রিজওয়ানের বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ থাকলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিদমন শাখার বিষয়টি তদন্ত করার কথা। কিন্তু তার পরিবর্তে সাইবার ক্রাইম সংস্থার মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে আইনজীবীর এসব যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি। শেষ পর্যন্ত রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দেন লাহোর হাই কোর্ট।

আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রিজওয়ানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে পিসিবির অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এর ফলে পাকিস্তান জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।