শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নারী ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরাতে মে মাসে ‘বিসিবি উইমেন্স কাপ’


ঘরোয়া ক্রিকেটে স্থবিরতা কাটিয়ে নারী ক্রিকেটারদের আবার মাঠে ফেরাতে নতুন টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আগামী মে মাসে শুরু হতে যাচ্ছে ‘বিসিবি উইমেন্স কাপ’, যেখানে অংশ নেবেন ১১২ জন নারী ক্রিকেটার।

১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ 

নারী ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরাতে মে মাসে ‘বিসিবি উইমেন্স কাপ’
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ঘরোয়া ক্রিকেটে স্থবিরতা কাটিয়ে নারী ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরাতে নতুন টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী মে মাস থেকে শুরু হতে যাচ্ছে টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটের নতুন প্রতিযোগিতা ‘বিসিবি উইমেন্স কাপ’।

নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির কারণে পুরুষদের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ যথাসময়ে শুরু না হওয়ায় সামগ্রিকভাবে দেশের ক্রিকেটে এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে নারী ক্রিকেটেও। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতেই নতুন এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে বিসিবি।

উইমেন্স কাপে অংশ নেবেন গত বছর নারী ক্রিকেটের প্রথম বিভাগে খেলা মোট ১১২ জন ক্রিকেটার। তবে জাতীয় দলের কোনো খেলোয়াড় এতে অংশ নিতে পারবেন না। আটটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রতিটি দলে থাকবেন ১৪ জন করে ক্রিকেটার। দলগুলোর নাম রাখা হবে বিভিন্ন রঙের নামে।

ঘরোয়া পর্যায়ের অনেক নারী ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক খুবই কম- কেউ পান মাত্র ৫ হাজার টাকা, আবার কেউ সর্বোচ্চ পান ১ লাখ টাকা। এ অবস্থায় ক্রিকেটারদের আর্থিকভাবে সহায়তা দিতে উইমেন্স কাপে অংশ নেওয়া প্রত্যেক ক্রিকেটারকে বিসিবির পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানান, ক্রিকেটারদের ক্রিকেটে ফেরানোর পাশাপাশি তাদের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করাই এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য।

উইমেন্স কাপের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়াও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে চলা এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে খুব শিগগিরই। আগামী মে মাস থেকে চার থেকে পাঁচ মাসের একটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম শুরু হবে, যেখানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পসহ ট্রেনার ও ফিজিওর পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাবেন নারী ক্রিকেটাররা।

বিসিবির এই দ্বিমুখী পরিকল্পনা নারী ক্রিকেটারদের মাঠের ব্যস্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের নারী ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ কাঠামোকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই টুর্নামেন্ট ও এইচপি ইউনিটের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।