শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

রিশাদ-মিরাজের বোলিংয়ে থামল পাকিস্তান, লক্ষ্য ২৭৫


মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তান। টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই সব উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তোলে ২৭৪ রান।

১৩ মার্চ ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ 

রিশাদ-মিরাজের বোলিংয়ে থামল পাকিস্তান, লক্ষ্য ২৭৫
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। জবাবে সফরকারীরা নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই সব উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭৪ রান।

ইনিংসের শুরুতেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করেন পাকিস্তানের ওপেনার সাজ সাদাকাত। অন্য ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন সাদাকাত। দুই ওপেনারের জুটিতে উদ্বোধনীতে আসে ১০৩ রান। তবে ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সাদাকাত। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা।

এরপর ক্রিজে নামেন তরুণ ব্যাটার শামিল হুসাইন। তবে বড় কিছু করতে পারেননি তিনি। ২২ বলে মাত্র ৬ রান করে বিদায় নেন। অন্যদিকে ধীরে ধীরে রান তুলছিলেন সাহিবজাদা ফারহান। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৩১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা দলের হাল ধরেন। দুজন মিলে ১০৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন। তবে বিতর্কিত এক রান আউটে থামতে হয় সালমানকে। ৬৩ বলে ৬৪ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল ৭টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে রিজওয়ান করেন ৪৪ রান।

ইনিংসের শেষ দিকে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় রান তুলতে পারেনি পাকিস্তানের নিচের সারির ব্যাটাররা। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ এবং হারিস রউফ ২ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ২টি উইকেট। বাকি তিনটি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন তিনজন বোলার। জয়ের জন্য এখন বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ২৭৫ রান।