জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময় নির্বাচন ঘিরে ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১৬টি। প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১৫টি এবং হত্যাকাণ্ড ঘটেছে পাঁচটি। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৮৯টি এবং অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।
প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে ৯টি, প্রচার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ২৯টি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ২০টি। পাশাপাশি অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা একটি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটেছে ৭০টি।
বিজ্ঞপ্তিতে বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সংঘটিত সহিংসতার পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাসে (২১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২৪) দেশে ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৪৬০ জন এবং নিহত হন ছয়জন। ওই সময় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ১০২টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ১১৮টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটে ৩০টি।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ২২ দিনে (১০ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ২ জানুয়ারি ২০১৯) ৪১৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন ৭৮০ জন এবং নিহত হন ২২ জন। তখন ভাঙচুরের ঘটনা ছিল ২৩৪টি, অগ্নিসংযোগ ১৫৫টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ১৪৩টি।
আর ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ১২ দিনে (২২ ডিসেম্বর ২০১৩ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০১৪) দেশে ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতায় আহত হন ৩১৫ জন এবং নিহত হন ১১৫ জন। তবে সে সময় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা বিস্ফোরণের পৃথক তথ্য জানানো হয়নি।