ঢাকাসহ ৫ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। এই গণঅভ্যুত্থান বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন, পরবর্তী সময়ে ১১ দফা আন্দোলন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায়ই বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। তিনি বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে ওঠে। ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সেই আন্দোলন রূপ নেয় এক ব্যাপক গণবিস্ফোরণে।
ড. ইউনূস বলেন, সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের গুলিতে ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিক শহীদ হন। একই ঘটনায় মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ আরও অনেকে শহীদ হন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে শহীদদের এই আত্মত্যাগ এ দেশের তরুণ সমাজকে যুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস, শক্তি ও অনুপ্রেরণা।
স্মৃতিবিজড়িত এই দিনে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন আমরা এই গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধকে ধারণ করে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি। বাণীর শেষাংশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের মুক্তি সংগ্রামের সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।