জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২২ অপরাহ্ণ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করার আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইসির চলমান মক ভোটিং কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, “নির্বাচনের তফসিল আমরা যেটা আশা করছি—ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে। এখন নির্দিষ্ট তারিখটি তফসিল ঘোষণার সময়ই জানতে পারবেন। হোপফুলি ইট উইল বি ইন দ্য সেকেন্ড উইক অব ডিসেম্বর।”
গণভোট বিষয়ে প্রচারণা নিয়ে তিনি বলেন, গণভোটের ব্যাপক প্রচারণা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি। গত মঙ্গলবার অধ্যাদেশ জারি ও আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসি এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছে। সিইসি বলেন, “আইন হওয়া মানে ইসি অনুমোদন পেল গণভোট পরিচালনার। অথরাইজড না হলে তো আমরা কাজ শুরু করতে পারতাম না।”
তিনি আরও জানান, গণভোটের প্রচারণা পরিচালনায় তথ্য মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসিও তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে। গণমাধ্যমের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “আপনারাও এই দেশের নাগরিক। আপনাদেরও দায়িত্ব আছে গণভোটের বিষয়গুলো জনগণের কাছে তুলে ধরার।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে অনেক উন্নত। “৫ আগস্ট ২০২৪-এর মতো পরিস্থিতি এখন নেই। তখন কোনো থানাই ঠিকভাবে কাজ করছিল না, আমরা নিজেরাই নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। এখন সবাই ঘরে শান্তিতে ঘুমাতে পারছে।”
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঙ্গে ইসি ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী নির্বাচনের প্রস্তুতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। মক ভোটিং কার্যক্রমেও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিইসি বলেন, “বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই শতভাগ নিখুঁত ছিল না। চুরি-ছিনতাই, মারামারি—আগেও ছিল, এখনও আছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো।”
নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও গ্রহণযোগ্য করতে ইসি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।