জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
২৩ নভেম্বর ২০২৫, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
দুই বছরের প্রাণঘাতী যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই শনিবারের দিনটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের বিমান হামলা বেসামরিক মানুষের মৃত্যু বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজার ভেতর থেকে তথাকথিত হলুদ সীমান্ত অতিক্রম করে সশস্ত্র হামলাকারীরা ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে। এর জবাবে গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ বিমান হামলা চালানো হয়েছে—যে এলাকা দিয়ে মানবিক সহায়তা প্রবেশ করে।
অন্যদিকে হামাস কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, দিনের পাঁচটি বিমান হামলায় মোট ২১ জন শহীদ হয়েছেন। তিনি একে যুদ্ধবিরতির ‘চরম লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন।
হামলাগুলোর মধ্যে গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে সাতজন নিহত ও ১৬ জন আহত হন। এছাড়া আল-নাসর এলাকার একটি আবাসিক বহুতল ভবনে হামলায় চারজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরভিত্তিক ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘গণহত্যা বন্ধে’ ইসরায়েলের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানায়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলার পর শুরু হওয়া এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ৬৯ হাজার ৭৩৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই তথ্য দিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, যাকে জাতিসংঘ বিশ্বাসযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।