জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
১৮ নভেম্বর ২০২৫, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
২০২৪ সালে জুলাই মাসে ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে পতিত সরকারের আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ,ও দলীয় নেতা কর্মীরা ছাত্রজনতার উপর নির্বেশেষে গুলি চালায় যার ফলে সেই আন্দোলন পর্যায়ক্রমে রুপ নেয় ১ দফার আন্দোলনে।এতে সংহতি জানিয়ে দেশের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ সাধারণ জনগনও রাস্তায় নেমে এসে! তৎকালীন সময়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের দমন পীড়ন ,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলা সেই সাথে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি আর সরকার দলীয় ব্যাবসায়িক সিন্ডিকেটের ফলে হাসিনা সরকারের উপর ক্ষিপ্ত ছিল সাধারণ জনগন সেই ক্ষোভে সাথে যুক্ত হলো আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর নির্বিচারে গুলি! ফলে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ সালে পালিয়ে যায় হাসিনা সরকারসহ পুরো পার্লামেন্ট! সরকার পতনের দেড় বছর পূর্ন হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে মেলেনি জনগনের স্বস্তি! বয়লার মুরগী ১২০ টাকা ধরে খামারীরা বিক্রি করলেও বাজারে এসে সেই মুরগীর দর কেজি প্রতি ২২০ মাঝখানের এই কেজি প্রতি ১০০ টাকা কোথায় যায়! লীগের সিন্ডিকেট ভেঙেগেলেও ১ সপ্তাহ লাগেনি সিন্ডিকেটের রিপ্লেসমেন্ট তৈরী হতে। এদিকে ২ মাস আগে ৪০ টাকা থাকা পেঁয়াজের কেজি এসে পৌঁছেছে ১২০ টাকা কেজিতে! কাচামালের অস্বাভাবিক দাম তো আছেই। কারা করছে এই সিন্ডিকেটের রিপ্লেসমেন্ট? কারা করছে অস্বাভাবিক বাজারমূল্য তা খতিয়ে দেখেনি সরকারের উপদেষ্টা! ভাগবাটোয়ারার এই দেশে কবে মিলবে জনগনের স্বস্তি! কবে হতদরিদ্র দিনমজুরের বাজার না করতে পারার আক্ষেপ?কবে আসবে সিন্ডিকেট চাঁদাবাজদের প্রশয় না দেওয়া সরকার,রাজনৈতিক নেতাকর্মী?কবে..?