জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন ২০২৬ পাস: অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহারের বিধান
১৮ নভেম্বর ২০২৫, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে। চারটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ক প্রস্তাব নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য এ গণভোটের ব্যালটে কী ধরনের প্রশ্ন থাকবে—এ বিষয়ে খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গণভোটের প্রস্তাবিত প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, ভোটাররা জানতে চাইলে তারা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এবং সনদে বর্ণিত সংশ্লিষ্ট সংস্কার প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি দিচ্ছেন কি না—এ বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেবেন।
খসড়ায় চারটি মূল প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে—
ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত পদ্ধতিতে পুনর্গঠন।
খ. আগামী সংসদকে দুই কক্ষ বিশিষ্ট করা এবং দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ গঠন। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
গ. নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণসহ জুলাই সনদের ৩০ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলোর বাধ্যবাধকতা।
ঘ. রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জুলাই সনদের অন্যান্য সংস্কার বাস্তবায়ন।
গণভোটের দিন ভোটাররা এই চারটি বিষয়কে একত্রিত করে করা প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ চিহ্ন দিয়ে মতামত দেবেন বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।