শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

আবারও চড়া পেঁয়াজের দাম, বাজারে অস্থিরতা


পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ এবং নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে না আসায় দেশে পেঁয়াজের দামে কেজিপ্রতি ১০–১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে।বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০–১১৫ টাকায়, যা এক মাসে প্রায় ৩৮% বৃদ্ধি বলে জানিয়েছে টিসিবি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প উৎস থেকে আমদানি ছাড়া এই মূল্যবৃদ্ধি শিগগিরই কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

৫ নভেম্বর ২০২৫, ৪:০৩ অপরাহ্ণ 

আবারও চড়া পেঁয়াজের দাম, বাজারে অস্থিরতা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকা এবং দেশি নতুন পেঁয়াজ এখনও বাজারে না আসায় দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে ফের দামের উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পরিস্থিতি সহসা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শ্যামবাজার ও জয়কালী মন্দির পেঁয়াজ আড়তে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৯৭ থেকে ৯৮ টাকায়; খুচরা পর্যায়ে যার দাম ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। টিসিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক মাসে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৮ শতাংশ।

ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা বলছেন, দুটি প্রধান কারণে বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে—ভারত থেকে আমদানি পুরোপুরি বন্ধ এবং রবি মৌসুমের নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে দেরি হওয়া। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এক আড়তদার বলেন, “এখন পুরো বাজার দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করছে। সরবরাহ কম, চাহিদা বেশি—ফলে দাম বাড়ছেই।”

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান মনে করেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, “চাহিদা পূরণের জন্য বিকল্প উৎস থেকে সীমিত পরিমাণ হলেও পেঁয়াজ আমদানি করা গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। এতে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং ভোক্তার ওপর চাপ কমবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত দামের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত আমদানি উৎসবিস্তারের মতো উদ্যোগ না এলে উৎসবের মৌসুমে ভোক্তাদের আরও বেশি চাপের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।