শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলা কিউআরে নতুন বেশ কিছু সুবিধা চালুর নির্দেশ


বাংলা কিউআর ব্যবহারে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহে এক হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৯৫৯ কোটি টাকার তুলনায় ৯৮ কোটি টাকা বেশি। বাংলা কিউআরকে আরও জনপ্রিয় ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন বেশ কিছু সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ 

বাংলা কিউআরে নতুন বেশ কিছু সুবিধা চালুর নির্দেশ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বাংলা কিউআর ব্যবহারে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহে এক হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মাধ্যমে এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে বাংলা কিউআরে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৫৯ কোটি টাকা।

বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন আরও জনপ্রিয় করতে নতুন কিছু সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) কোম্পানিকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনকে জনপ্রিয় ও গ্রাহকবান্ধব করতে হবে। একই সঙ্গে মার্চেন্টদের এ পদ্ধতিতে পরিশোধ গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। এ জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে যেকোনো অঙ্কের কোডভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে মার্চেন্টের হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সব প্রতিষ্ঠানের মোবাইল অ্যাপের হোম পেজে বৃদ্ধাঙ্গুলির নিকটস্থ স্থানে বাংলা কিউআর আইকন দৃশ্যমান রাখতে হবে।

এ ছাড়া আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শুধু স্ক্যান নয়, বাংলা কিউআর ইমেজ আপলোডের মাধ্যমেও পেমেন্ট সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শুধু কার্ড হিসাবধারী নয়, সব সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবধারী গ্রাহক যেন সংশ্লিষ্ট অ্যাপ থেকে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পরিশোধ করতে পারেন, সেই সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, দেশে নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। পাশাপাশি নগদ ব্যবস্থায় অপরাধমূলক ও কর ফাঁকির লেনদেনও হয়ে থাকে। এ বাস্তবতায় চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কোডভিত্তিক সব লেনদেনে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর ফলে কোনো দোকান বা মার্চেন্ট পয়েন্টে একটি ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানের কিউআর থাকলেও যেকোনো গ্রাহক সেখান থেকে সেবার বিল পরিশোধ করতে পারছেন। এতে বাংলা কিউআরের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক করার প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলা কিউআরে দৈনিক গড়ে ৪০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে গত সপ্তাহে তা এক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আড়াই মাসের মধ্যে বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ১৫১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। নতুন নির্দেশনার ফলে এ মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।