জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৭ আগস্ট ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে বন্দুক নিয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় এক শিক্ষক নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে হামলাকারী নিজেকেও গুলি করে আত্মহত্যা করে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলার একটি সুপরিচিত স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলটির নিয়মিত পাঠদান চলছিল। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, হামলায় ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ না করলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, একজন শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। হামলাকারী নবম শ্রেণির প্রায় ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্কুল ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে সে কয়েক দফা গুলি চালায়। পরে নিজেকেও গুলি করে আত্মহত্যা করে।
আরেক পুলিশ কর্মকর্তা পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং জানান, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। হামলার উদ্দেশ্য বা কী কারণে ওই শিক্ষার্থী এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে সাধারণ নাগরিকদের কাছে প্রায় ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি সাতজন বাসিন্দার মধ্যে প্রায় একজনের কাছে বৈধ বা নিবন্ধিত আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সহিংস ঘটনার সংখ্যা বাড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।