সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই


বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি জগতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র, বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। আজ সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল। নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২৯ জুন ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ 

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশের পাপেট বা পুতুলনাট্যের জনক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় গত ১৪ জুন তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এই গুণী শিল্পী। সে সময় তাকে লাইফ সাপোর্টেও রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ভারতের দিল্লিতে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন। কিন্তু ক্যানসার জয়ের প্রায় দুই বছর পর এবার নিউমোনিয়ার সংক্রমণ কেড়ে নিল এই কিংবদন্তিকে।

চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন নাটক ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পাপেট থিয়েটারকে আধুনিক রূপ দেওয়াসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখেছেন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কেবল একজন চিত্রশিল্পীই ছিলেন না, বরং নবীনদের পথপ্রদর্শক এবং দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে পাপেট চর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল।