পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস
২০ জুন ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসব ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা)’ ফাইনাল খেলা সরাসরি উপভোগ করতে শনিবার বিকেল চারটার দিকে আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মাঠে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর তিনি ফাইনালে ওঠা বালক ও বালিকা দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হতে মাঠ পরিদর্শন করেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় গ্যালারিতে বসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী হাত নাড়লে, প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত শিশু তাকে কাছ থেকে দেখার জন্য মাঠে দৌড়ে আসে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এই আনন্দ-উচ্ছ্বাসের বিপরীতে প্রধানমন্ত্রীর মুখে ছিল স্নেহমাখা চওড়া হাসি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা দিয়েও বাংলাদেশকে সবাই চিনবে। খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনা এবং সংস্কৃতি চর্চায় পারদর্শী হতে হবে। তাহলেই আমরা একটি সুন্দর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল শিশুদের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা করা। তোমরা-ই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তোমাদের মধ্য থেকেই তৈরি হবে এবং অলিম্পিকেও আমাদের আরও ভালো অবস্থান তৈরি করতে হবে।"
সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে মোট চারটি দল এই চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
বালক বিভাগ: ফাইনালে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বালিকা বিভাগ: অপরদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে ময়মনসিংহের নান্দাইলের আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-২ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে পাবনার সাঁথিয়ার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।