পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস
১৯ জুন ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপাধারী দল আর্জেন্টিনা যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে তাদের বেস ক্যাম্প স্থাপন করেছে। কিন্তু বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সেই ক্যাম্পের নিকটবর্তী এলাকায় মঙ্গলবার এক সিরিজ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে এই গুলির ঘটনাগুলো ঘটে।
ঠিক যে সময়ে অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি চলছিল, ঠিক তখনই স্টেডিয়ামের কাছাকাছি ইন্টারস্টেট ৭০ এবং ইন্টারস্টেট ৬৭০ হাইওয়েতে চলন্ত যানবাহন লক্ষ্য করে আকস্মিক কয়েকটি গুলি চালানো হয়। এই গুলিবর্ষণের কবলে পড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের বহনকারী একটি উবার গাড়িও।
আক্রান্ত উবার গাড়িতে থাকা আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান, হাইওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি গাড়ি তাদের উবারের পাশে এসে গতি কমিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। গুলির আঘাতে উবার চালকের পায়ে গুলি লাগে। সমর্থকরা জানান, শুরুতে বিকট শব্দ শুনে তারা ভেবেছিলেন গাড়ির টায়ার ফেটে গেছে, কিন্তু পরে চালকের রক্তক্ষরণ দেখে তারা হামলার বিষয়টি বুঝতে পারেন। আহত চালককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত গুরুতর হলেও তা প্রাণঘাতী ছিল না।
তবে একই সময়ে হাইওয়ের অন্য অংশে চালানো গুলিতে আরও কয়েকজন মারাত্মকভাবে জখম হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, এই নৃশংস হামলার পেছনে ২২ বছর বয়সী এক যুবক জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে ঘোষণা করে শহরজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্ট চলাকালীন স্বাগতিক দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বন্দুক হামলার ঘটনাটি দল ও সমর্থকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজকদের বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।